দিনের পর দিন মানুষ প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। শারীরিক পরিশ্রম সেভাবে করা হয় না বললেই চলে। তবে, হাটাহাটি করাটা কিন্তু ভালো ব্য়ায়াম।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন প্রতিদিন ১২ মিনিট করে হাঁটলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। হাঁটার ফলে হজমের পদ্ধতি উদ্দীপ্ত হবে এবং পাকস্থলি থেকে হজম রস বের হবে।
ফলে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। হাটার জেরে ওজন কমে যাবে। ইমোশন জার্নালে প্রকাশিত গবেষনার ফল অনুসারে, তিন জনের ওপর পরিক্ষা করা হয়। প্রথমজনের ওপর হাঁটা ও না হাঁটার প্রভাব দেখা হয়েছে।
দ্বিতিয়জনকে বেড়ানোর পর সে সম্পর্কে লিখতে বলা হয়। তৃতীয়জনকে ট্রেডমিলে হাটতে দেওয়া হয়।
ফলাফল দেখা যায়, যিনি ঘুরে বেরিয়েছেন তার মানসিক চাপ কম। আবার যিনি ট্রেডমিলে হেঁটেছিলেন তার মানসিক চাপ যিনি হাটেঁননি তার চেয়ে কম।
হাঁটারফলে মানুষের চিন্তার সৃজনশীলতা বেড়ে যায়। মেজাজ ভালো থাকে এবং মানসিক চাপ কমে যায়। মানুষ যখন হাঁটাহাঁটি করে, তখন পেসিতে তৈরি হওয়া মলিকিউল বা অনু যা মস্তিস্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে।
হাটা যে মানুষের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে সেটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত। অনেক সমস্যা সমাধান করা্ও সহজ হয় হাঁটার কল্যানে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন সকালে ১২ মিনিট হাটলেই যথেষ্ট।




.jpg)

.jpg)






