- হাড়ের গঠনে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালসিয়ামযুক্ত খাদ্যগ্রহণে হাড়ের গঠন দৃঢ় হয়। সুতরাং খাদ্যভ্যাস সুষম হওয়া আসশ্যক। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্যের মধ্যে দুধ, ডিম, প্রাণিজ আমিষ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে।
- পরিমিত ব্যায়ামে হাড়ের গঠন ভালো থাকে। নিয়মিত শরীরচর্চার অভাবে হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। এমনকি দীর্ঘদিন শয্যাশাযী থাকলে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম বিমুক্ত হয়ে যায় এবং মুত্রের সাথে বের হয়ে যেতে পারে।এতে হাড়ের দৃঢ়তা কমে যায়। সুতরাং, হাড় মজবুত ও কর্মক্ষম রাখত নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত।
- দীর্ঘক্ষণ এক নাগারে বসে / দাঁড়িয়ে কাজ করলে বা টিভি দেখলে হাড়ের উপর চাপ পড়ে, বিশেষত মেরুদন্ডের উপর চাপ পড়লে তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কিছুক্ষণ কাজ করার পর একটু হেঁটে নেয়া ভালো।
- হাড়ে বা সন্ধিতে জীবাণু সংক্রমণ হলে তা দ্রুত চিকিৎসা করানো উচিত। নয়তো তা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরী করতে পারে। এমনকি শিশুদের ক্ষেত্রে হাড়ের বৃদ্ধি রহিত করতে পারে এবং সন্ধির কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।



.jpg)
.jpg)

.jpg)






