কৃমি এক ধরনের পরজীবী ; যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্যাভাসের কারণে শিশুদের আক্রমণ করে। কৃমি হলে শিশুদের-
খাবারের রুচি কমে যা স্বাস্থ্য খারাপ হয়, ওজন বাড়ে না, কেননা সে যা খায়, তার এক তৃতীয়াংশই কৃমি খেয়ে ফেলে
শিশু রক্তশূণ্যতায় আক্রান্ত হয়। একটি কৃমি প্রতিদিন শরীর থেকে শুন্য দশমিক ১ মিলিলিটার রক্ত শোষণ করে থাকে। কৃমির কারণে আমাদের দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ শিশু রক্তশূণ্যতায় ভুগছে।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাঃ
যে কোনো কিছু খাওয়ার আগে শিশুকে ভালো করে হাত ধুয়ে নিতে হবে। এই অভ্যাস শিশুর মধ্যে তৈরি করুন। টয়লেট ব্যবহারের আগে এবং পরে অবশ্যই এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। পানি ভালো করে ফুটিয়ে পান করাবেন। সম্ভব হলে শিশুর তৈজসপত্র ফুটানো পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না। স্বাস্থ্যকর উপায়ে পরিষ্কার হাতে শিশুর খাবার তৈরি ও পরিবেশন করবেন এবং খাবার ঢেকে রাখবেন। নোংরা জায়গায় শিশুকে খালি পায়ে হাঁটাবেন না। দুই বছর বয়স থেকে প্রতি ছয় মাস পর পর শিশুকে কৃমির ওষুধ খাওয়ান। বাড়ির গৃহকর্মীসহ পরিবারের সবাই এই ওষুধ খাবেন।




.jpg)

.jpg)






