অনেকই আছেন যারা পিঠে, ঘাড়ে কিংবা কোমড়ের ব্যথায় নিয়োমিত ভোগেন। পিঠের ব্যথা কিংবা ব্যাকপেইন নিদিষ্ট কোনো বয়সে হয় না। এই ব্যথা যেকোন বয়সেই হতে পারে। কিন্তু অভ্যাস বদলালে চিরকালের জন্য পালাবে যন্ত্রণাদায়ক এসব ব্যথাঃ
- দীর্ঘসময় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোনের মতো প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারের কারণে পিঠের ব্যথা হয়। যুক্তরাজ্যের সিম্পলি হেলথ নামের একটি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী তিন হাজার ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণায় উঠে এসেছে প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারের ফলে বয়স্কদের তুলনায় তরুণেরা বেশি পিঠের ব্যথায় সমস্যায় ভুগছেন। গবেষণা থেকে আরও জানা যায়, প্রতিদিন তরুণেরা ৮.৮৩ ঘন্টা কোনা না কোনো প্রযুক্তিপণ্যের সামনে সময় কাটান। পিঠের ব্যথা দূর করতে ঝুঁকে বসে এবং অতিরিক্ত সময় নিয়ে কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য চালাবেন না।
- পুরাতন তোশক ব্যবহারের কারণে পিঠের ব্যথা হয়। একটি তোশক ৮ থেকে ১০ বছর ভালো থাকে। পিঠের ব্যথা দূর করত পুরাতন এবং খুব বেশি শক্ত কিংবা খুব বেশি নরম তোশক ব্যবহার করবেন না। তোশক মাঝে মাঝে রোদে শুকাতে দিন।
- বেশি ওজন কাধেঁ ব্যবহার করলে পিঠে ব্যথা হয়। দেহের শতকরা ১০ ভাগ ওজন কাধঁ বহন করতে পারে। খুব বেশি ভারী জিনিস কাধেঁ নেবেন না। নিলেও তা দুইকাধেঁ ভারসাম্য বজায় রেখে নিন।
- বেশি উঁচু হিল পরলে শরীরের পেশিতে চাপের সৃষ্টি করে। শরীর ভারসাম্য বজায় রাখতে না পারলে পিঠের ব্যথার সৃষ্টি হয়। উঁচু হিল বাদ দিয়ে ফ্ল্যাট স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
- গবেষণায় দেখা গেছে মানুষের আবেগ, চিন্তা মাংসপেশিতে প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, হতাশা, রাগ, ক্ষোপের কারণে পিঠের ব্যথা হতে পারে। চেষ্টা করুন সবসময় হাসিখুশি ও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে।
- সারাদিন বসে থাকলে পিঠের মাংসপেশি অকার্যকর হয়ে যায়। একটানা কখনও বসে কিংবা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। ডেস্কে বসে কাজ করলেও কিছুক্ষণ পরপর দাঁড়িয়ে হাঁটাহাটি করুন । নিয়মিত শরীরচর্চা করলেও পিঠে , ঘাড়ে কিংবা কোমরে ব্যথা হবে না ।
- বয়স ৪০ পেরোনো নারীদের ব্যাকপেইনের ঝুঁকি বেশি ।
- শরীরে হরমোনের পরিবর্তন , ঝুঁকে কাজ করা , মাতৃত্বকালীন সময়ে ভারী জিনিস ওঠানো , পুষ্টির অভাব এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও পিঠে ব্যথা দেখা দিতে পারে ।
- বেশি বেশি বাইরের জাষ্ক খাবার খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যায় । শরীরের অতিরিক্ত ওজন থেকেও পিঠে ব্যথা হয় । সবসময় খেয়াল রাখতে হবে শরীরের ওজন যেন বেশি বেড়ে না যায় ।



.jpg)
.jpg)

.jpg)





