×

ব্রণ প্রতিরোধের উপায়

সংবাদ প্রতিনিধি ০২:৩০ মিঃ, মার্চ ২৩, ২০১৯ Views : 866

 মুখ পরিচ্ছন্ন রাখুন। মুখ অপরিস্কার থাকলে ত্বকের ‍ সিবাম ও পরিবেশের ধূলা মিলে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দেয় ফলে ব্রণে সম্ভাবনা বাড়ে। তাই মুখমন্ডল সবসময় পরিস্কার রাখা উচিত। বিশেষেত বাইরে থেকে এসে অবশ্যই পানি দিয়ে মুখ ধৌত করা উচিত। ফেসওয়াস বা ক্লিনজার ব্যবহার করা যেতে পারে। অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করা ঠিক না। এতে ত্বকে এলার্জিজনিত সম্যসা হতে পারে। তাছাড়া মেকআপের সামগ্রী  ত্বকের ঘর্ম গ্রন্থি ও সিবেসিয়াস গ্রন্থি বন্ধ করে দিতে পারে। এতে ঘর্ম ও সিবাসের প্রবাহ রুদ্ধ হয় এবং নানা সমস্যা দেখা যায়। ব্রণ প্রতিরোধে জরুরি বিষয়গুলো হলঃ-

  • শাকসবজি ও ফল বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত। নিয়মিত সবুজ শাকসবজি আর টাটকা ফলমূল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়। 
  • তৈলাক্ত খাবার ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • পানি বেশি খাওয়া উচিত। 
  • পেট পরিস্কার রাখা খুবই জরুরি। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে ত্বকে ব্রণ দেখা দেয়। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা প্রতিকার করতে হবে। 
  • কিছু ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। যে কোনো ঔষধ খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 
  • আর ব্রণ হলে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক যা এমনিই ভালো হয়ে যায়। তবে ব্রণ কখনোই হাত দিয়ে টেপা বা গলানো ঠিক না। এতে ত্বকে চিরস্থায়ী ক্ষত হতে পারে এবং জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে।
  • ব্রণ খুব বেশি হলে বা ব্যথাযুক্ত হলে চিকিৎসা নেওয়া উচিত। তবে কোন অবস্থাতেই নিজে নিজে ঔষধ সেবন বা মলম লাগানো ঠিক নয়।

ত্বকের খুব সাধারণ একটি সমস্যা খুশকি যা সচরাচর দেখা যায়। এটি ছত্রাকজনিত কারনে হয়ে থাকে। খুশকি আসলে মতৃ কোষ যা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত বেড়ে যায়। একেই খুশকি বলে। এটি বেশ বিব্রতকর সমস্যা। খুশকির জন্য চুল পড়াও বেড়ে যায়। খুশকি মাথার ত্বক ছাড়াও চোখের পাপড়িতেও হতে পারে। এমনকি অন্যান্য অংশেও হতে পারে। খুশকি নিরাময়ের জন্য ভালো খুশকিনাশক শ্যাম্পু সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন বা একদিন পর পর দেয়া যেতে পারে।খুশকির মাত্রা অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহর করা উচিত। এছাড়া প্রাকৃতিক উপায়েও খুশকি নিরাময় করা যেতে পারে।এক্ষেত্রে মেথি খুব কার্যকর।চুল পড়া নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করে থাকি। বস্তুত চুলপড়া অতি সাধারণ ঘটনা। নিদিষ্ট বয়ষ পর্যন্ত যে পরিমাণ চুল পড়ে তত পরিমাণ চুল গজায়। অর্থাৎ, চুল কমে যায় না। তবে ৩০-৪০ বছরের পর থেকে চুল পড়ার হার বেরে যেতে পারে। বিশেষত পুরুষদের ক্ষেত্রে চুলপড়া বেশি দেখা যায়। পুরুষদের হরমোনের কারণে এটি হয়ে থাকে। টেস্টোস্টেরন এর প্রভাবে পুরুষদের টাক পড়ার প্রবণতা থাকে। তবে চুল পড়া জিনগত ও পরিবেশগত অনেক প্রভাবকের  উপর নির্ভরশীল। আমাদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসও আমাদের চুলের স্থায়িত্বের জন্য গুরুত্বর্পূণ।