×

ত্বকের কাজ

সংবাদ প্রতিনিধি ০১:৫৬ মিঃ, মার্চ ৫, ২০১৯ Views : 1342

 

  • ত্বক একপ্রকার সংবেদী অঙ্গ। বাহ্যিক পরিবেশ থেকে তাপ, চাপ,শৈত্য,ব্যথা ইত্যাদিসহ নানাবিধ সংকেত ত্বক কর্তৃক গৃহীত হয় এবং প্রাপ্ত সংকেত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাড়া প্রদান করা সম্ভব হয়।ত্বকে বিভিন্ন রকম সংবেদী স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। প্রত্যেক স্নায়ুপ্রান্ত  নির্দিষ্ট ধরনের সংকেত গ্রহণ করে এবং তা সংবেদী স্নায়ুর মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পৌছে। এভাবে ত্বকের মাধ্যমে বাহ্যিক পরিবেশ  থেকে যে কোন সংকেত আমরা বুঝতে পারি।
  • ত্বক অভ্যন্তরীণ সকল কলা ও অঙ্গকে সুরক্ষা প্রদান করে।
  • ত্বক তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে। ত্বকের নিচে কিছু মেদকলা থাকে যা তাপ বাইরে বের হতে দেয় না। ফলে দেহ উষ্ণ থাকে।
  • ত্বকের মেলানিন বিভিন্ন ক্ষতিকর রশ্মি ( যেমন- অতিবেগুনি রশ্মি ) থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
  • ত্বক পানিরোধক হিসেবেও কাজ করে। কোন কারণে ত্বকের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেহের পানি ও তার সাথে খনিজ লবণ বের হয়ে যায়। ফলে পানিশূন্যতা এবং খনিজ লবণের অভাব দেখা যায়।
  • ত্বক ভিটামিন- ডি তৈরী করে।
  • ত্বক জীবাণু প্রতিরোধ করে। ত্বকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক থাকে। এগুলো ত্বকে অবস্থান করে তবে সাধারণত কোন ক্ষতি করে না একই সাথে ত্বকে ক্ষতিকর জীবাণু সংক্রমণে বাধা দেয়। এদের Normal Flora বলে। তবে ত্বক   ক্ষতিগ্রস্ত হলে এবং ত্বকের এইসব জীবাণু দেহে প্রবেশ করলে তা নানারকম অসুখ তৈরী করতে পারে। তাছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এইসব ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ত্বকে রোগ সৃষ্টি করতে পারে এমনকি তা ত্বক ভেদ করে দেহের নানা স্থানে সংক্রমণ করতে পারে। যেসব ব্যধিতে দেহের রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় সে সব ক্ষেত্রে দেহের ভেতরে জীবাণু সংক্রমণ হার অনেক বেড়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায় ত্বকের স্বাভাবিক জীবাণু তখন রোগ সৃষ্টি করে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ত্বকের পর্যাপ্ত পরিচর্যা একান্ত আবশ্যক। সৌন্দর্যচর্চার ক্ষেত্রেও ত্বকের যথাযথ যত্ন  গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় পরিচর্যার অভাবে ত্বকের যেমন সৌন্দর্যহানি ঘটে তদ্র্র্র্রুপ ত্বকের নানা রোগ; বিশেষত ছত্রাকজনিত রোগ বেশি দেখা যায়।ছত্রাকজনিত রোগের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ত্বকের পর্যাপ্ত পরিচর্যা একান্ত আবশ্যক। সৌন্দর্যচর্চার ক্ষেত্রেও ত্বকের যথাযথ যত্ন প্রধান কারণ-

  • অপরিচ্ছন্নতা
  • পরিবেশের আর্দ্রতা
  • দেহের যে সব অংশ বেশি আর্দ্র থাকে সে সব স্থানে; যেমন-বগল,কুঁচকি, ঘাড় ইত্যাদি
  • অতি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার
  • দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে
  • কিছু নির্দিষ্ট ঔষধ সেবনে, যেমন- স্টেরয়েড
  • কিছু বিশেষ ব্যাধি,যেমন- ডায়াবেটিস।